Showing posts with label ভূতের গল্প. Show all posts
Showing posts with label ভূতের গল্প. Show all posts

Monday, April 29, 2019

Bangla Book বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ভূতের গল্প Bishwer Shresta Vuter Golpo

Bangla Golpo,Bangla Story,বাংলা গল্প,বাংলা কাহিনী,দেশ-স্থান পরিচিতি,বাংলা বই,গল্পের বই,জীবনী,BD Golpo,Bangla Kahini,Country Introduction,Jiboni,Ebook,PDF,Bangla Book,Vuter Golpo,Bhuter Golpo

ডিজিটাল বইয়ের নাম- বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ভূতের গল্প
লেখক- বিশিষ্ঠ দেশী ও বিদেশী
সম্পাদনা ও ভাষান্তর- প্রীতি পালচৌধুরী
বইয়ের ধরণ-
ভূতের গল্প
ফাইলের ধরন- পিডিএফ
এই বইতে মোট পৃষ্টা আছে- ৮৯৮
ডিজিটাল বইয়ের সাইজ- ১৪ এমবি
প্রিন্ট খুব ভালো, জলছাপ মুক্ত
ভূতের গল্প
ভাবতে অবাক লাগে, এই একুশ শতকেও ভূতের গল্পের প্রতি আমাদের আকর্ষণ বিন্দুমাত্র কমেনি। বরং বলা যায় গত কয়েক বছরে ভৌতিক কাহিনীর প্রতি আমাদের টান আগের থেকে আরও বেড়ে গেছে। তাই বোধহয় একটির পর একটি সফল চলচ্চিত্রের জন্ম হচ্ছে, যা ভৌতিক কাহিনীকে আশ্রয় করেই নির্মিত হয়েছে। ভূতের গল্পের প্রতি এই অপ্রতিরোধ্য আকর্ষণের মূলে কী আছে? সমাজ বিজ্ঞানীরা বলে থাকেন মানুষ আজ দৈনন্দিন জীবনযাপনে ক্লান্ত শ্রান্ত হয়ে উঠেছে। এই ক্লান্তি অপনোদনের জন্য সে সাহিত্যের কাছে আশ্রয় নেয়। ভালোবাসে কল্পনা মিশ্রিত ভৌতিক গল্প পড়তে, যার মধ্যে ঈষ বাস্তবতার ছোঁয়া আছে। এইসব পাঠক-পাঠিকার কথা মাথায় রেখে আমরা বিশ্বসাহিত্য এবং বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ভৌতিক গল্পগুলিকে দুই মলাটের মধ্যে গ্রন্থিত করে আপনাদের হাতে তুলে দিয়েছি। আমাদের এই প্রয়াস কতখানি সার্থক হয়েছে তা আপনারাই বিচার করবেন। তবে এখানে একটি কথা মনে রাখা দরকার, তা হল বিশ্বসাহিত্যের বিশাল ভাণ্ডারে প্রবেশ করে গল্প নির্বাচন করা দুরূহ কাজ। পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ থেকেই যাবে। জায়গা না থাকাতে আমরা অনেক বিখ্যাত গল্পকে বাদ দিতে বাধ্য হয়েছি। ভবিষ্যতে হয়তো সেইসব গল্পগুলিকে নিয়ে আর একটি সঙ্কলন প্রকাশিত হবে। বর্তমান সঙ্কলনে বিশ্বসাহিত্যে পরিচিত ভৌতিক গল্প সাহিত্যিকরা প্রায় সকলেই উপস্থিত হয়েছেন এরই পাশাপাশি আমরা বাংলা সাহিত্যের ভৌতিক গল্পের ধারাটির কথাও মনে রেখেছি বাংলা ভাষায় এমন অনেক আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভৌতিক গল্প লেখা হয়েছে যার কোনো তুলনা নেই। যদিও মূলত এই সঙ্কলনটি কিশোর-কিশোরী, পাঠক-পাঠিকাদের কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়েছে, কিন্তু সম্পাদক হিসাবে আমার স্থির বিশ্বাস এই সঙ্কলন গ্রন্থটি সব বয়সের পাঠক-পাঠিকাকে একইভাবে আকর্ষণ করবে। এখানে যেসব সাহিত্যিকের নির্বাচিত ছোটো গল্প স্থান পেয়েছে ভবিষ্যতে যদি আপনারা তার লেখা অন্যান্য গল্পগুলিও পড়ে ফেলেন তাহলে সম্পাদক হিসাবে আমি নিজেকে কৃতার্থ মনে করব। - সম্পাদক
Vuter Golpo,Bhuter Golpo এই বইতে বিশিষ্ঠ দেশী ও বিদেশী লেখকগণের যেসব গল্পগুলি সংকলন করা হয়েছে, সেগুলি হল-

গুপি গায়েন বাঘা বায়েন - উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
সুদন ওঝা - সুকুমার রায়
বেঁশো ভূত - নজরুল ইসলাম
ভূতের রাজা - হেমেন্দ্রকুমার রায়
অদ্ভুত ভূতের গল্প - সৌরীন্দ্রমোহন মুখোপাধ্যায়
পোড়া ছায়া - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
হংসভূত - প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
কঙ্কালের টঙ্কার - মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
টম সাহেবের ভূতুড়ে বাড়ি - ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
কলমভূত - রাধারমণ রায়
ভীতু ভূত - রেভারেন্ড লালবিহারী দে
বিষের বাঁশী -
  আশা দেবী
বিরজা হোম ও তার বাধা - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
ভূতুড়ে খাদ -
  শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়
জীবিত ও মৃত - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
একটি ভৌতিক কাহিনী - প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
ভূতপত্রীর দেশ - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
নিজাম কাঁদির বিল - জরাসন্ধ
চাঙরীপোতার চণ্ডীভূত - খগেন্দ্রনাথ মিত্র
ডাইনী - তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
মধুপুরের হানাকুঠি - হিমানীশ গোস্বামী
আকস্মিক - নীহাররঞ্জন গুপ্ত
মন্টির মা - নরেন্দ্র দেব
 
মড়া কাটার ভয়ে - মোহনলাল গঙ্গোপাধ্যায়
কামিনী - শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
ভূত যদি রসিক হয় - প্রেমেন্দ্র মিত্র
কেষ্টবাবু ভূতের গল্প শুনলেন - রবিদাস সাহারায়
বাতিঘর - লীলা মজুমদার
অকৃতজ্ঞ - অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
ফাঁসিগাছ - প্রমথনাথ বিশী
অশরীরী - সুমথনাথ ঘোষ
দিনদুপুরে - বুদ্ধদেব বসু
ডাক্তারের সাহস - প্রবোধকুমার স্যান্যাল
জামাই - মনোজ বসু
 
সেই আশ্চর্য লোকটি - বিমল কর
দশ নম্বর বাড়ির রহস্য - শিবরাম চক্রবর্তী
নিশির ডাক - স্বপনবুড়ো
এক রাত্রির অতিথি - গজেন্দ্রনাথ মিত্র
সহচর - নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
অদ্ভুতুরে ভূতুড়ে সভা - কুমারেশ ঘোষ
অদ্ভুত ভূত - শুদ্ধসত্ত্ব বসু
ভূতুড়ে দোলা - বিশু মুখোপাধ্যায়
ভৌতিক - হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
তান্ত্রিক - ধীরেন্দ্রলাল ধর
খুনী ভূতের কাণ্ডকারখানা - সুধাংশুরঞ্জন ঘোষ
ভূতুড়ে গাড়ির যাত্রী - কণা বসু মিশ্র
ভূতের কাছারী - মুরারিমোহন বেদান্তাদিতীর্থ শাস্ত্রী
পিণ্ডিদান - প্রবোধ নাথ
ভূতুড়ে মৌমাছি - শ্যামলকুমার চক্রবর্তী
মাঝরাতের জলসায় - শিশিরকুমার মজুমদার
সে এক সাঁঝের বেলা - মধুশ্রী মৈত্র
পুরনো দিনের মাছি - অনীশ দেব
ক্যামেরা - নীলাঞ্জন নন্দী
মুখে বরফের কুচি গুড়িয়ে গেল - সুচিত্রা মিত্র
শয়তানের শেষ অভিযান - বরুণ দত্ত
মানুষ এক ছায়া দুই - চিরঞ্জীব সেন
ভূতেরা বিজ্ঞান চায় না - অদ্রীশ বর্ধন
হাওয়া বাতাস - সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
জীবন্ত পুতুল - বৈদ্যনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
পর্যটক রহস্য - অজেয় রায়
লালকুঠিতে ডাক্তারবাবু - মহাশ্বেতা দেবী
শাস্তির গল্প - কবিতা সিংহ
অবুঝ ভূতের গল্প - বাণী রায়
অলৌকিক ছুরি - পূর্ণেন্দু পত্রী
ভূত নামাইবার সহজ পদ্ধতি - আশাপূর্ণা দেবী
আলো জ্বালিয়ে গিয়েছিল - শক্তি চট্টোপাধ্যায়
ভূতের সঙ্গে খেলা - শক্তিপদ রাজগুরু
বছর কুড়ি আগে - ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
ভূত নেই ভূত আছে - প্রফুল্ল রায়
তেত্রিশ নাম্বার ঘর - দিব্যেন্দু পালিত
গন্ধটা খুব সন্দেহজনক - শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
রাতটা ছিল দুর্যোগের - সমরেশ মজুমদার
বটুকদাদার পাখি - সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
সেই রাত - সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
ভূতূরা - অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়
বাচ্চা ভূতের খপ্পরে - নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
স্বপ্নে কারা? - প্রীতি পালচৌধুরী
শুধু একজন - বেনেট কার্ফ
রাতের অথিতি বেনেট কার্ফ
 
সেইৱাত সেইসময় -বেনেট কার্ফ
 
সাটিনের পোশাক - বেনেট কার্ফ
 
হানাবাড়ির অভিশাপ - বেনেট কার্ফ
 
সশঙ্ক শয়তান - ফ্রেডরিক ব্রাউন
কবরের অভিশাপ - কাউন্ট লুই হ্যামন
ভৌতিক - লর্ড হ্যালিফ্যাক্স
স্বপ্ন হল সত্যি - লর্ড হ্যালিফ্যাক্স
ভূতুড়ে বাংলো - লর্ড হ্যালিফ্যাক্স
দেবীনষ্টচন্দ্র - জন আর ক্রসল্যাণ্ড
স্বীকারোক্তি - ব্রেড ষ্ট্ৰেজেন
অকাল বোধন - অজ্ঞাত
 
দ্বীপের নাম অজানা - উইলিয়ম সামব্রট
ট্রেনের কামরায় - লর্ড হ্যালিফ্যাক্স
কে দিল নির্দেশ ? - লর্ড হ্যালিফ্যাক্স
টেলিফোন - লর্ড হ্যালিফ্যাক্স
অনুবিস - রবার্ট ব্লচ
রাতের কণ্ঠস্বর - উইলিয়াম হোপ হজসন
ভূতুড়ে বাড়ির কাণ্ড - আলেকজাণ্ডার উলবাট
ভূতের সঙ্গে বন্ধুত্ব - এইচ. জি. ওয়েলস্
ডরোথি ডিলের ভূত - ড্যানিয়েল ডিফো
বাগানের মালী -ফ্রেড্রিক বেনসন
লাল ঘর - এইচ. জি. ওয়েলস্
মাদাম ক্রোল-এর ভূত - যোশফ সার্দিন হী ফানু
পিশাচের মিনার - ব্রাম স্টোকার
মেরি বার্নেট - জেমস্ হগ
নরকের অতিথি -রে ব্রাডবেরী
পদধ্বনি - শিলভা শেরি
মধ্যরাতের রহস্যময়ী নারী - ওয়াশিংটন আরভিং
সেই পাখীরা - আলফ্রেড হিচকক
এমন মেয়ে দেখাই যায়না - ডরোথি সেরাস

প্রিয় বাংলা বইয়ের পাঠকগণ,
 বিশিষ্ঠ দেশী ও বিদেশী লেখকের লেখা ভূতের গল্পের সংকলন বই 'বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ভূতের গল্প' এর পিডিএফ সংগ্রহ করিতে পারিবেন।


Saturday, April 27, 2019

Bangla Book ১০০ ভূতের ১০০ বাড়ি 100 Vuter 100 Bari

Bangla Golpo,Bangla Story,বাংলা গল্প,বাংলা কাহিনী,দেশ-স্থান পরিচিতি,বাংলা বই,গল্পের বই,জীবনী,BD Golpo,Bangla Kahini,Country Introduction,Jiboni,Ebook,PDF,Bangla Book

ডিজিটাল বইয়ের নাম- ১০০ ভূতের ১০০ বাড়ি
লেখক- বিভিন্ন
বইয়ের ধরণ-
  ভৌতিক গল্প
ফাইলের ধরন- পিডিএফ
এই বইতে মোট পৃষ্টা আছে- ৪৮৮
ডিজিটাল বইয়ের সাইজ- ৮৪ এমবি
প্রিন্ট মোটামুটি, জলছাপ মুক্ত

ভূত কি কেবল বট আর পাকুড় গাছেই থাকে ? ফাঁকা মাঠ-ময়দানে, শ্মশানে-মশানে গভীর রাত্রে শুধু কি তারাই ঘুরে বেড়ায়? বাঁশবন আর ন্যাড়া বেলগাছই কি তাদের একমাত্র ঠিকানা? তাই যদি হয়, তাহলে ভাঙা, পুরনো, নির্জন পোড়ো বাড়িগুলোয় কারা থাকে? কারা ওই ছায়ামূর্তি, ঘুরঘুট্টি অন্ধকার রাত্রে পরিত্যক্ত পান্থশালায় রোজ খানাপিনার আসর বসায় ? জনমানবহীন ওই মস্ত বাংলোবাড়ির মধ্যে কারাই বা রাত্রিবেলা অমন অদ্ভুতভাবে নাচে, গায়, হাসাহাসি করে? আর ওই সুবেশ রাজপুরুষটিই বা কে? ঘোড়া থেকে নেমে ভাঙা, রাজবাড়ির সামনে আসামাত্র ভয়ঙ্কর এক কঙ্কাল হয়ে যায়? এইসব সাতপাঁচ ভাবতে-ভাবতেই এই বই। ভূত আছে কি নেই, পোড়ো বাড়িগুলো সত্যিই ভূতের নিবাস কি না, ভাঙা বাংলো আর সরাইখানাগুলোর দখল ভূতেরা নিয়েছে কি না সে তো গবেষণার ব্যাপার। ভূত-বিশেষজ্ঞরা তা করবেন।
আমরা বরং এখন এই গা-ছমছমে গল্পগুলো পড়ে ফেলি, দেখি না ভূতগুলোকে চিনতে পারি কি না!
বইটিতে ১০০ টি বিশিষ্ট লেখকগণের লেখা ১০০টি গল্প রয়েছে।
উপরোক্ত বাংলা বইটির
পিডিএফ ফাইল Download করুন অথবা Online এ পড়ুন
প্রিয় পাঠকগণ,
 বিশিষ্ট বাংলা লেখকগণের লেখা গা-ছমছমে ভৌতিক গল্প বই '১০০ ভূতের ১০০ বাড়ি' এর পিডিএফ সংগ্রহ করিতে পারিবেন।

Saturday, April 20, 2019

Bangla Golpo: ভূতলোকে নতুন অতিথি Ghost

Bangla Golpo

ছবি: শিল্পী এফএস কোবার্ন
ভূতদের বহুল প্রচারিত দৈনিক ভূতের আলোর প্রধান শিরোনাম দেখে সবারই চোখ কপালে উঠল। বাচ্চা থেকে যুবা ভূত, যুবা থেকে প্রবীন ভূত সবার চোখ কপালে উঠেছে।
যদিও ভূতদের চোখ থাকে না, চক্ষু কোটর থাকে, তবে ধারণা করা যায় চোখ থাকলে ঠিকই কপালে উঠত। ভূতদের শরীরে মানুষের মতো ত্বক কিংবা অঙ্গ-প্রতঙ্গ না থাকার কারণে তাদের মুখভঙ্গি প্রকাশ করা মানবিয় শব্দ দ্বারা সম্ভব নয়। তাই মানুষ নিজের গুণাগুণ দিয়েই ভূতের সবকিছু বর্ণনা করতে চায়। আমিও তার ব্যতিক্রম নই।
যদিও আমি স্বীয়সাধনা বলে ভৌতিক গুণাবলীর কিছু কাঠামো তৈরির চেষ্টা করছি, কিন্তু সেটা একেবারেই নগন্য। তবে আমার প্রত্যাশা ভবিষ্য প্রজন্ম ভৌতত্বের সঠিক বিশ্লেষণের মাধ্যমের এ গ্রহের জ্ঞানলোককে আরও সমৃদ্ধ করবে। এওকি সম্ভব! ভূতলোকে নতুন অতিথি, বিজ্ঞানীদের ঘুম হারাম। এমন শিরোনাম সাধারণত ভূতলোকের সংবাদপত্রে বিরল।
বিজ্ঞানীদের ঘুম হারাম মানে অনেকটা রেডএলার্ট জারির মতো। চারদিকের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সকল ভূতকে বিনা দরকারে বাসার বাইরে বেরুনোর ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। ভূতরাজ কিছুক্ষণ পরেই জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা দেবেন। ইতোমধ্যেই প্রধান ভূতরক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে দায়িত্বে অবহেলার জন্য।
ত্রিলোকের সকল বুদ্ধিমান জীবই তাদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত থাকে! ইতর প্রাণির নিরাপত্তা নিয়ে কোনো অজুহাত নেই। কোটি কোটি তেলাপোকা এবং মশা-মাছি প্রতিনিয়ত অন্য বুদ্ধিমান জীবকর্তৃক নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হলেও তারা তাদের সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে একেবারেই উদাসীন। তাদের ভয়-শঙ্কা কিছুই নেই। জীবন নিয়ে তারা বড়ই নির্লিপ্ত। এ কারণেই বুদ্ধিহীন প্রানীরা সবচেয়ে সুখি হয়। এবং তাদের ভেতর দার্শনিকতাবোধও প্রবল। প্রতিটি আরশোলাই একেকজন ক্ষুদ্র দার্শনিক। এই থিয়োরিটি বিখ্যাত ভূতজার্নাল গোস্টলজিতে বহুবছর আগেই প্রকাশিত হয়েছে। এতো ঘটনা কেন ঘটল এবার সে সংবাদে যাওয়া যাক।
বানরসদৃশ চারটি জীব ভূতকাননের ভূতরাজের আবক্ষমূর্তির উপর ওঠে লাফালাফি করছিল আজ ভোরে। ভূতরাজের আবক্ষমূর্তির উপর লাফানো কোনো অমার্জনীয় অপরাধ নয়- অপরাধও নয়। সমস্যাটা হচ্ছে এমন অদ্ভূত জীব অতীতে কখনো ভূতলোকে দেখা যায়নি। দেখতে অনেকটা বানরের মতো হলেও পেছনে কোনো লেজ নেই, এ আরেক বিস্ময়! বানরের মতো সারা শরীরে কোনো পশমও নেই। ভূতলোকে বানর পৌছেছিল একশত ভূতবর্ষ আগে। ‍সে কাহিনীর বর্ণনা এখানে নিষ্প্রয়োজন।
তবে জীবগুলো দেখে মনে হয় ভূতের ওপর যেন কোনো মুখোশ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এটা একটা সম্পূর্ণ স্বতন্ত্রজীব। এ জীবগুলো সোজা হয়ে দুইপায়ে ভরদিয়ে চলে বানরের মতো লাফায় না। হাঁটা-চলায় ভূতদের সাথে একধরনের মিল আছে। তবে দেখতে ভূতদের মতো সুশ্রী না বড়ই কুসি! মিল থাকা স্বত্বেও ভূতদের গণমাধ্যম এ জীবগুলোকে বানরসদৃশ বলেই বর্ণনা করেছে, ভূতসদৃশ বলে নিজেদের মর্যাদা ক্ষুন্ন করেনি।
এসকল বিচিত্র দৃশ্য দেখার পর ভূতকাননের প্রহরী প্রধান প্রহরীকে সংবাদ জানালে, তিনি দ্রুত ছুটে এসে মূর্ছিত হলেন। ভূতদের মূর্ছা খাওয়া খুবই ব্যতিক্রম ঘটনা। এর আগে প্রথম মূর্ছা খাওয়ার ঘটনা ঘটে ভূতকাননে যখন আকস্মিক বানর এসে হাজির হয়। ভূতদের শত্রুর অভাব নেই। ত্রিলোকের অনেক জীবই ভূতদের বিরুদ্ধে নিরবিচ্ছিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।
ভূতশাস্ত্রে আছে তাদের সত্যের পথ থেকে বের করার জন্য এসব জীবের জন্ম। কারণ সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত হলে তাদের ভৌতত্ব হারিয়ে বাকি জীবন ইউরেনাস গ্রহে কাটাতে হবে। এটা খুবই অসম্মানজনক! যাই হোক বানর আসার পর ভূতলোকে যে সাড়া পড়েছিল এবার তার থেকে আরও বেশি সাড়া পড়ল। এ জীবগুলো শরীরের ওপর কী যেন চাপিয়ে এসেছে। ত্রিলোকের কোনো জীবকে তারা এমন বেঢপ জিনিস দিয়ে শরীর ঢাকতে দেখেনি।
ভূতলোকের বড় বড় বিজ্ঞানী এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ছুটে এসেছে। এন্টিভুতিজম ইউনিটের প্রধানও ছুটোছুটি করছে। সবার মনেই উকণ্ঠা এসব জীব কোথা থেকে এলো। তাদের উদ্দেশ্যইবা কী? এরা কি কোনো বুদ্ধিমান প্রাণী? সবচেয়ে মজার ব্যাপার এই উদ্ধার তপরতার ভেতর এ অদ্ভুত জীবগুলো দেখে বহু নিরাপত্তা কর্মী মূর্ছা খেল। আসলে এটা কেমন জীব!
মহাপরাক্রমশালী ভূতেরা পর্যন্ত দেখেই মূর্ছা যাচ্ছে। ভূতদের অভিধানে ভয় বলে কিছু ছিল না, তবে ঘটছে কী! ভাগ্যিস, ভূতদের হৃদযন্ত্র নেই, নইলে অনেক ভূতের হৃদযন্ত্র নষ্ট হয়ে যেত এ দৃশ্য দেখে। একজন ভূত বলেই বসল কি বিদখুটে দেখতেরে বাবা! গা থেকে কেমন যেন উকট গন্ধ বের হচ্ছে। কত ভূততো বমি করতে করতেই অজ্ঞান।
এবার উদ্ধারের পালা, নিরাপত্তা ইউনিটের প্রধান নির্দেশ দিল, প্রথমেই এখানকার তাপমাত্রা কমিয়ে নিতে হবে। তাপমাত্রা কমিয়ে নিলে এ জীবগুলো নিস্তেজ হয়ে যাবে। তারপর বিশাল কাঁচের বোতলে করে তাদের প্রধান বিজ্ঞানীর ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হবে। প্রধান বিজ্ঞানী এবং তার দল এ জীবগুলোর সঙ্গে থাকা ক্ষতিকর কিছু থাকলে তা নির্মূল করবে। আগামী এক ভৌতদিনের মধ্যে ভূতরাজের কাছে পরিপূর্ণ প্রতিবেদন প্রেরণ করতে হবে। ভূতলোকের ভৌতিক সব যন্ত্রপাতি দিয়ে আদেশ অনুযায়ী কাজে নেমে পড়ল ভূতদল।
ভূতবিজ্ঞানীরা এ জীবগুলোকে পরিচর্যার মাধ্যমে আবার পূর্বাবস্তায় ফিরে নিয়ে এলো কিন্তু অনেকক্ষণ অচেতন থাকার ফলে তাদেরকে খুব ক্লান্ত দেখাচ্ছে। হয়তো তাদের এখনি খাদ্যের প্রয়োজন। কিন্তু তাদের খাদ্যাভ্যাস সম্পর্কে ভূতদের কোনো ধারণাই নেই।
পরীক্ষামূলকভাবে প্রথমে একগ্লাস চাঁদের আলো খেতে দিল কিন্তু জীবগুলো তা খোলো না। চাঁদের আলো ভূতদের প্রিয় খাবার, খেলেই শরীর চাঙ্গা হয়। কিন্তু এ জীবগুলো তা ছুঁয়েও দেখল না। বড় বিচিত্র এবং বিদখুঁটে এ জীবগুলো। এরপর দেয়া হল একমগ পাখীর কিঁচিরমিচির, তাতেও অনীহা। ক্রমশই দূর্বল হয়ে যাচ্ছে জীবগুলো। বিদখুটে শব্দ করছে। বোতলের গা বেয়ে উঠে যাওয়ার চেষ্টা করছে। বিশাল বোতল ঘুষি মেরে ভাঙার চেষ্টা করছে। ফলে ধীরে ধীরে আরও ক্লান্ত হয়ে পড়ছে।
এবার প্রধান বিজ্ঞানী একটি বড় জগে একগ্লাস অক্সিজেন এবং একগ্লাস হাইড্রোজেন মিশিয়ে নিল। এতে করে নতুন একধরনের তরল তৈরি হল, এটা খেতে দেয়া হল জীবগুলোকে। এ নতুন তরল পেয়ে জীবগুলো ঘটঘট করে খেয়ে নিল। তারপর এই তরলে লবণ-গুড় মিশিয়ে খেতে দিল। এতে করে জীবগুলো আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠলো কিচির-মিচির বাড়িয়ে দিল। তারপর জীবগুলোর রক্ত নমুনা, পাকস্থলী, অন্যান্য জিনিস পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে তাদের উপযোগী খাদ্যপ্রস্তুত করা হলো।
অল্প কয়েকদিনেই এ জীবগুলো খুব সুস্থ সবল হয়ে উঠল। ভূতকাননে প্রদর্শনের জন্য একটি বিশেষ ঘর বানানো হলে জীবগুলোর জন্য। তবে সেই ঘরের বাইরে সাবধান বানী লেখা থাকলো, ‘দূর্বল চিত্তের ভূতদের জন্য দেখা নিষিদ্ধ।ভূতলোক থেকে রেডএলার্ট উঠে গেল। পত্র-পত্রিকায় ভূতরাজের জয়ধ্বনি তোলা হল।
মূলত সত্য এবং বিজ্ঞান অধিকাংশ সময় কাছাকাছি থাকলেও মাঝেমাঝে এর মধ্যবর্তী কিছু ঘটনা ঘটে যায়। এ কথাটি বলেছিলেন ভূতস্টাইন নামক একজন বিজ্ঞানী। প্রকৃতি মাঝে মাঝে নিজেই প্রতিশোধ নেয়। অতীতে অসংখ্য ভূতকে মানুষ বিনা অপরাধে বোতলবন্দী করেছিল এমন বর্ণনা মানুষের ইতিহাসে আছে। ধারণা করা হচ্ছে ভূতলোকের অদ্ভূত জীবগুলো মানুষ ছাড়া আর কিছু নয়-ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস মানুষ দেখে ভূতরা মূর্ছা যাচ্ছে, বমি করছে!
একই সময়ে ভূলোকে ঘটেছে আরেকটি ঘটনা, ঘটনা না বলে দুর্ঘটনা বলাই শ্রেয়। গোমতী-১ নামে যে নভোযানটি নেপচুন গ্রহের উদ্দেশ্যে কুমিল্লা থেকে যাত্রা করেছিল তা মহাশূণ্যে বিস্ফোরিত হয়ে চারজন নভোচারি নিখোঁজ হয়েছে। এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বেরিয়ে এসেছে নভোযানটির ফিটনেস সার্টিফিকেট ছিল না, নভোচারিদেরও কোন লাইসেন্স ছিল না।

Wednesday, April 10, 2019

Bangla Golpo: ভুতের গল্প

Bangla Golpo

যারা ভূতে বিশ্বাস করেন না,বা করতে চান না তাদেরকে আজকে একটা সত্য ঘটনা শুনাব-
আমি সবসময় ঢাকা থেকে রাত্রে বাড়িতে যাইকারন ছুটি পাই কম আবার চিন্তা করি রাত্রে চলে গেলে পরদিন সকালটা বাসা থেকেই শুরু করা যাবে।ছাত্র অবস্থায় ক্লাস শেষ করেই রওনা হয়ে যেতাম।এখনও অফিস শেষ করেই সোজা মহাখালীতারপর ময়মনসিংহহালুয়াঘাট।
মোটামুটি ছয়ঘন্টা।একদিন ক্লাস শেষ করে বাড়ী রওনা হলাম।আমাদের বাজারে যেতে যেতে রাত ১২ টা বেজে গেল।বাজারে গিয়ে দেখি সুবাস।আমার বাল্য বন্ধু।আমাকে দেখেই বলল আমরা তো প্রতিদিন রাত্রে কদমতলী আড্ডা মারি,তুই খেয়ে চলে আসিস বাজারেই আমার বাসা।বাসায় গিয়ে আম্মার সাথে কথা বলতে বলতে খাওয়া শেষ করলাম।
১টার দিকে বাজারে গিয়ে কাউকে না পেয়ে ভাবলাম সবাই হয়তো চলে গেছে।আমি দুইটা সিগারেট কিনে কদমতলী রওনা হলাম।বাজার থেকে কদমতলী সিকি কি.মি.।তখন আষাঢ় মাস।আকাশে চাদও আছে।কিন্তু আষাঢ়ের মেঘ এবং চাদের আলো দু্ইটা মিলে একটা অদ্ভুদ আলো-আধারের খেলা চলছে-এই কালো অন্ধকার,আবার যেন ভরা পূর্ণিমা।একটা সিগারেট ধরিয়ে রাস্তা হাটছি।কিছুটা ভয়ও লাগছে।এমন রাতে একা একা হাটলে ভূত-প্রেতের কথা একটু বেশীই মনে পড়ে।বামের ঘন জঙ্গল থেকে ঝি ঝি পোকার শব্দে একটা অদ্ভুদ সুর যেন সৃষ্টি হচ্ছে।যে সুরের তালে তালে নিজেকে নিয়ে খুব হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে।মাঝে মাঝে গভীর জঙ্গল থেকে দু-একটি কাক বড্ড বেসুরো কন্ঠে কা কা করছে।মনে হচ্ছে কোন মাংসখেকো রাক্ষস যেন কলিজাটা ছিড়ে নিয়ে যাচ্ছে।আমি কদমতলীর কাছাকাছি যে জায়গায় শশানঘাটটা ঠিক সে জায়গায় চলে আসলাম।
এইখান থেকে আমাদের যে জায়গায় বসে আড্ডা দেওয়ার কথা সেই জায়গা টা স্পষ্ট দেখা যায়। আমি কাউকেই দেখতে পেলাম না।মনের ভিতর একটা ভয়ও জেগে উঠল।এই কারনে গভীর জঙ্গলের পাশ দেয়ে পিছনেও যেতে ইচ্ছে করছেনা।কারন এই জায়গার বামদিকে কংশ নদী,আর ডানদিকে খোলা মাঠযার ধরুন গা শিরশির করা অন্ধকার ভাবটা এইখানে নেই।আমি সোজা কদমতলী গিয়ে একটা সিগারেট ধরিয়ে নদীর ঢেউ দেখছি।ভয়টা কাটানোর জন্য একটু জোড় করেই যেন অন্যমনস্ক হয়ে যেতে চাইলাম।মাঝে মাঝে কয়েকটা কলাগাছ নদী দিয়ে ভেসে যাচ্ছে।দূর থেকে মনে হচ্ছে কোন লাশ ভেসে যাচ্ছে।মৃত প্রাণীর গন্ধে বমি হওয়ার অবস্থা।হঠা
……হঠা………..একটি কান্নার শব্দ শুনতে পেলাম। ইঁ..ইঁ..ইঁ..ইঁ..ইঁ..ইঁ..।কিছুটা ভয় পেয়ে গেলাম।আমার কাছ থেকে হাত বিশেক দূরে ঠিক আমার বাম
দিকে তাকিয়ে দেখি একটি ঘোমটা দেওয়া মহিলা বসে আছে।আর ঐ খান থেকেই কান্নার আওয়াজ আসছে।ভয়ে আমার আত্না চলে যাওয়ার যোগাড়।শরীর দিয়ে ঘাম পানির মত বের হচ্ছে।যেন আমি কোন ঝড়নার নিচে দাড়িয়ে আছি।ডাকব ডাকব ভেবেও না ডেকে সোজা বাসার দিকে রওনা হলাম।বাসায় গিয়ে হাত-মুখ ধুয়ে শুয়ে পড়লাম।পরদিন সকালে আম্মাকে সব ঘটনা খুলে বললে আম্মা বলল সুবাস তো ময়মনসিংহ গিয়েছিল তিনদিন আগে,সেতো আসবে আরও পরে।আমিতো অবাক তাহলে সুবাসের চেহারা নিয়ে আমাকে কে বলেছিল কদমতলী যাওয়ার জন্য।শেষে আম্মা যা বলেছিল তা ছিল এইরকম-৮৮ সালের বন্যার সময় নৌকায় করে বরযাত্রী বউ নিয়ে যাওয়ার সময় কদমতলী নৌকা ডুবে যায়।সবাই তীরে উঠলেও কনে আর উঠতে পারিনি।
সেই থেকে এখনও মাঝে মাঝে কনেকে কদমতলী তে কাদতে দেখা যায়।আরও অনেকেই দেখেছে।
 সংগৃহীত