Showing posts with label শিক্ষামূলক গল্প. Show all posts
Showing posts with label শিক্ষামূলক গল্প. Show all posts

Sunday, April 28, 2019

Bangla Book গল্পে গল্পে উপদেশ | Golpe Upodesh-Mahmudullah

গল্পে উপদেশ-মাহমুদউল্লাহ ছোটদের উপদেশমূলক বাংলা গল্পের বই

ডিজিটাল বইয়ের নাম- গল্পে উপদেশ
গল্প সংগ্রহকার- মাহমুদউল্লাহ
বইয়ের ধরণ-
কিশোর সাহিত্য
ফাইলের ধরন- পিডিএফ
এই বইতে মোট পৃষ্টা আছে-১২৭
ডিজিটাল বইয়ের সাইজ- ১৮ এমবি
প্রিন্ট খুব ভালো, জলছাপ মুক্ত

উপদেশ হচ্ছে অনেকটা তেতো কুইনিনের মতো যা শুনে শিশুরা কেন, বড়োরাও আতকে উঠতে পারেন। সাদামাটা গলায় উপদেশ দিতে গিয়ে আপনিও সবার কাছে অপ্রিয়জন হয়ে উঠবেন, তাতে কোন সন্দেহ নেই। সরাসরি উপদেশ অনেকটা ভারী কণ্ঠে আদেশের মত। তাই যুগ যুগ ধরে মানুষ উপদেশ দিয়ে আসছে গল্পের ভেতর দিয়ে। ঈশপের গল্প এর একটা উ
কৃষ্ট উদাহরণ। তাছাড়া, সারা পৃথিবী জুড়ে নানা পশু-পাখির গল্প আর রূপকথা উপকথায়ও ছড়িয়ে রয়েছে মূল্যবান উপদেশ।
আশা করি এই বই পড়ে শিশুরা গল্পের আনন্দ পাবে, জানার মতো অনেক বিষয় পাবে এবং সেইসঙ্গে পাবে হিরকখণ্ডের মতো সুন্দর একটি উপদেশ। সবিনয়ে বলবো, কেবল শিশুদের নয়, বড়োদেরও এই বই ভালো লাগবে।

এই বইতে রয়েছে ছোটদের জন্য অনুপম উপদেশমূলক ২৫ টি গল্প, সেগুলি হল-
১। বুড়ো মানুষের মূল্য
২। সততাই ধর্ম
৩। কৃপণের ধন
৪। শিয়াল ও সিংগাড়া
৫। বুদ্ধির জয়
৬। কলম ও তলোয়ার
৭। অত্যাচারী রাজা
৮। যে সাগর মানে না বাধা
৯। অভ্যাস যদি ভাল হয়
১০। মহাকবি মহাপ্রাণ
১১। আগে চাই কাজ
১২। মানবদরদী কবি
১৩। প্রকৃত সুখী
১৪ বাংলার বাঘ
১৫। অজিব দেশ
১৬। দিল যার দরিয়া
১৭। বিশ্বাসঘাতকের শাস্তি
১৮। লোভী শিয়াল
১৯। মহানুভব কথাশিল্পী
২০। শয়তানের পরাজয়
২১। যে কবি দুরন্ত পথিক
২২। কল্পনায় বড় 
২৩। ভাষার জন্যে ভালোবাসা
২৪। একটি মিথ্যে কথা
২৫। ভালবাসা সুরভিত প্রাণ

আমার প্রিয় ক্ষুদে পাঠকরা, একটি খুবই সুন্দর বাংলা উপদেশমূলক গল্পের সংকলন বই 'গল্পে উপদেশ' এর পিডিএফ সংগ্রহ করিতে পারিবেন।
উপরোক্ত বাংলা বইটির
পিডিএফ ফাইল Download করুন অথবা Online পড়ুন

Tuesday, April 2, 2019

একটি ইদুর ও সাপ এবং নেউলের বাংলা গল্প

বাংলা গল্প

একদা এক গর্তে একটি ইদুর থাকত।একদিন এক নেউল সেই গর্তের সামনে হাজির হলো।আর ঠিক সেই সময়ই কোথা থেকে যেন একটি সাপও সেখানে হাজির হলো।তারা দুই জনই ইদুরের সন্ধানে এসেছিল।কিন্তু দেখা গেল সাপে আর নেউলে লড়াই বেধে গেলে।তাদের কাররই আর ইদুরের কথা মনে ছিল না।গর্তের ইদুর এদের যুদ্ধে ব্যস্ত দেখে তার গর্ত থেকে বেরিয়ে আসল।অমনি সাপ আর নেউল যুদ্ধ থামিয়ে ইদুরের উপর ঝাপিয়ে পড়ল।
রাজনীতির ক্ষেত্রেও এরকমটা প্রায়ই দেখা যায়।বিরোধরত দুই দল যখন দেখে তাদের সাধারণ বিপক্ষ কোনও দল মাথা চড়া দিয়ে উঠছে তখন তারা নিজেদের বিবাদ ভুলে ঐ বিপক্ষ দলকে আক্রমণ করে।

উপদেশঃ- জাতশত্রুরাও স্বার্থের জন্য পরস্পরের জোট বাঁধে।

ইমাম গাজ্জালীর একটা বাংলা গল্প

বাংলা গল্প

এক ব্যক্তি জঙ্গলে হাটছিলেন।হঠা দেখলেন এক সিংহ তার পিছু নিয়েছে।তিনি প্রাণভয়ে দৌড়াতে লাগলেন।কিছুদূর গিয়ে একটি পানিহীন কুয়া দেখতে পেলেন।তিনি চোখ বন্ধ করে দিলেন ঝাঁপ।পড়তে পড়তে তিনি একটি ঝুলন্ত দড়ি দেখে তা খপ করে ধরে ফেললেন।এবং ঐ অবস্থায় ঝুলে রইলেন।উপরে চেয়ে দেখলেন কুয়ার মুখে সিংহটি তাকে খাওয়ার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছে।নিচে চেয়ে দেখলেন বিশাল এক সাপ তার নিচে নামার অপেক্ষায় চেয়ে আছে।বিপদের উপর আরো বিপদ হিসেবে দেখতে পেলেন একটি সাদা আর একটি কালো ইঁদুর তার দড়িটি কামড়ে ছিড়ে ফেলতে চাইছে।এমন হিমশিম অবস্থায় কি করবেন যখন তিনি বুঝতে পারছিলেন না,তখন হঠা তার সামনে কুয়ার সাথে লাগোয়া গাছে একটা মৌচাক দেখতে পেলেন।তিনি কি মনে করে সেই মৌচাকের মধুতে আঙ্গুল ডুবিয়ে তা চেটে দেখলেন।সেই মধুর মিষ্টতা এতই বেশি ছিল যে তিনি কিছু মুহূর্তের জন্য উপরের গর্জনরত সিংহ,নিচের হাঁ করে থাকা সাপ,আর দড়ি কাঁটা ইঁদুরদের কথা ভুলে গেলেন।ফলে তার বিপদ অবিশ্যম্ভাবী হয়ে দাঁড়ালো।
ইমাম গাজ্জালী এই গল্পের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেন এই সিংহটি হচ্ছে আমাদের মৃত্যু,যে সর্বক্ষণ আমাদের তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে।সেই সাপটি হচ্ছে কবর।যা আমাদের অপেক্ষায় আছে।দড়িটি হচ্ছে আমাদের জীবন,যাকে আশ্রয় করেই বেঁচে থাকা।সাদা ইঁদুর হল দিন,আর কালো ইঁদুর হল রাত,যারা প্রতিনিয়ত ধীরে ধীরে আমাদে জীবনের আয়ু কমিয়ে দিয়ে আমাদের মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছে।
আর সেই মৌচাক হল দুনিয়া।যার সামান্য মিষ্টতা পরখ করে দেখতে গেলেও আমাদের এই চতুর্মুখি ভয়ানক বিপদের কথা ভুলে যাওয়াটা বাধ্য।

বাংলা গল্প:আহম্মকের উল্লাস

বাংলা গল্প

অবশেষে বসন্তকাল এল।চারিদিকে ফুল ফুটে উঠল।প্রকৃতি নতুন সাজে সেজে উঠল।চারিদিকে ঝলমলে রৌদ্রে।সে বড় সুখের সময়।
সূর্যের বিয়ে হবে।চারিদিকে খবরটা রটে গেল।চারিদেকে যেন আনন্দের হাট বসে গেল।সকল জীবজন্তুদের সংঙ্গে ব্যাংঙেরাও আনন্দে ধেই ধেই করে নাচতে লাগল।নেচে কুঁদে বেড়াতে লাগল।এই সব দেখে জিরাফ আর চুপ থাকতে পারল না।সে ব্যাঙদের সম্বোধন করে বললো-দূর দূর বোকা আর আহম্মকের দল কোথাকার!সূর্যের বিয়েতে তোদের নাচন-কোঁদন করতে লজ্জা করছে না!এক সূর্যই গরমকালে খানা ডোবার জল শুকিয়ে সেগুলো কাঠ করে দেয়-তার বিয়ে হলে তার বউয়ের যদি ঐরকম একটা বাচ্চা হয় তাহলে তোদের দশা কি হবে।আর জীবজন্তুরাও রেহাই পাবে না।প্রাণিকুল জ্বলে পুড়ে ধ্বংস হয়ে যাবে।অতএব সূর্যের বিয়েতে আনন্দ করার কিছুই নেই।
এই সব কথা শুনে হকচকিয়ে গিয়ে নাচন-কোঁদন ত্যাগ করে ভাবতে বসলো।তাইতো জিরাফ ঠিকই বলেছে।

উপদেশঃ- মগজে বস্তু না থাকলে যাতে আনন্দ করবার কিছু নাই, তাই নিয়েও লোকে আনন্দ করে থাকে।


Saturday, March 30, 2019

রাগ নিয়ন্ত্রণ–একটি শিক্ষামূলক বাংলা গল্প




খুব ছোট্ট এক ছেলে প্রচন্ড রাগী ছিলো।সে খুব সামান্য কারণেই রেগে যেত।তার বাবা তাকে একটা পেরেক ভর্তি ব্যাগ দিল এবং বললো যে,যতবার তুমি রেগে যাবে ততবার একটা করে পেরেক আমাদের বাগানের কাঠের বেড়াতে লাগিয়ে আসবে।
প্রথম দিনেই ছেলেটিকে বাগানে গিয়ে ৩৭ টি পেরেক মারতে হলো।পরের কয়েক সপ্তাহে ছেলেটি তার রাগকে কিছুটা নিয়ন্ত্রনে আনতে পারলো তাই প্রতিদিন কাঠে নতুন পেরেকের সংখ্যাও ধীরে ধীরে কমে এলো।
সে বুঝতে পারলো হাতুড়ী দিয়ে কাঠের বেড়ায় পেরেক বসানোর চেয়ে তার রাগকে নিয়ন্ত্রন করা অনেক বেশি সহজ।শেষ পর্যন্ত সেই দিনটি এলো যেদিন তাকে একটি পেরেকও মারতে হলো না।সে তার বাবাকে এই কথা জানালো।তারা বাবা তাকে বললো,এখন তুমি যেসব দিনে তোমার রাগকে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রন করতে পারবে সেসব দিনে একটি একটি করে পেরেক খুলে ফেলো।অনেক দিন চলে গেল এবং ছেলেটি একদিন তার বাবাকে জানালো যে সব পেরেকই খুলে ফেলতে সক্ষম হয়েছে।
তার বাবা এবার তাকে নিয়ে বাগানে গেল এবং কাঠের বেড়াটি দেখিয়ে বললো,‘তুমি খুব ভালভাবে তোমার কাজসম্পন্ন করেছো,এখন তুমি তোমার রাগকে নিয়ন্ত্রন করতে পারো কিন্তু দেখো,প্রতিটা কাঠে পেরেকের গর্তগুলোএখনো রয়ে গিয়েছে।কাঠের বেড়াটি কখনো আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না।যখন তুমি কাউকে রেগে গিয়ে কিছু বলো তখন তার মনে তুমি যেন একটি পেরেক ঠুকলে পরবর্তিতে যদি তুমি তোমার কথা ফিরিয়েও নাও তখনও তার মনে ঠিক এমন একটা আচড় থেকে যায়।
তাই নিজের রাগতে নিয়ন্ত্রন করতে শেখো।মানসিক ক্ষত অনেক সময় শারীরিক ক্ষতের চেয়েও অনেক বেশি ভয়ংকর।

Thursday, March 28, 2019

আগুনে পোড়া ক্ষত সহজে সারায় তেলাপিয়া! by বাংলা গল্প






তেলাপিয়া এমন একটি মাছ, যা সারা বছরই বাজারে পাওয়া যায়।মাছে-ভাতে বাঙালির কাছেও এটি প্রিয় একটি মাছ।শুধু স্বাদেই নয়,পুষ্টিবিদদের মতে এ মাছের পুষ্টিগুণ অসাধারণ!
তেলাপিয়া মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম,প্রোটিন,ভিটামিন বি-১২,ফসফরাসের মতো একধিক অপরিহার্য উপাদান।
তবে জানেন কি,আগুনে পুড়ে যাওয়া ক্ষত সারাতেও তেলাপিয়া মাছ অত্যন্ত কার্যকরী!
ব্রাজিলীয় চিকিসকরা জানিয়েছেন,আগুনে পুড়ে যাওয়া অংশে তেলাপিয়া মাছের ছাল ব্যান্ডেজের মতো লাগিয়ে রাখলে ওই ক্ষত খুব তাড়াতাড়ি সেরে যায়।শুধু তাই নয়,যন্ত্রণাও দ্রুত কমে যায়।
বিজ্ঞানীদের মতে,তেলাপিয়া মাছের ছালে কোলাজেন প্রোটিনের টাইপও টাইপরয়েছে,যা আগুনে পুড়ে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া অংশকেও(থার্ড ডিগ্রি বার্ন কেস)খুব সহজে সারিয়ে তুলতে পারে।ইতোমধ্যেই এই চিকিসা পদ্ধতি নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়েছে।
২০১৬ সালে এক ব্রাজিলীয় মস্যজীবীর আগুনে পুড়ে যাওয়া হাতের চিকিত্সা করতে গিয়ে প্রথম তেলাপিয়া মাছের ছালের এই আশ্চর্য গুণ জানা যায়।
জানা গেছে, ওই মস্যজীবীর নাম অ্যান্টোনিও সান্টোস।তার নৌকায় থাকা একটি গ্যাসের টিন ফেটে ডান হাতের অধিকাংশটাই পুড়ে যায় অ্যান্টোনিওর।ব্রাজিলের ফোর্টালেজ এলাকার একটি হাসপাতালের চিকিসক এডমার ম্যাসিয়েল অ্যান্টোনিওর হাতের পুড়ে যাওয়া অংশে তেলাপিয়া মাছের ছালের প্রলেপ লাগিয়ে প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে এই চিকিসা শুরু করেন,সফলও হন।এরপর অনেকের উপরেই এই পদ্ধতিতে চিকিসা চালানো হয়।দেখতে দেখতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ে এই খবর।বিকল্প ছাল দিয়ে(আক্রান্তের শরীরের অন্যান্য অংশের চামড়া বা ছাল দিয়ে)দগ্ধ অঙ্গ সারিয়ে তোলার পদ্ধতি দীর্ঘদিনের।ওই চিকিসা পদ্ধতিতে নতুন সংযোজন হল তেলাপিয়া মাছের ছাল।
 বিডি প্রতিদিন/কালাম থেকে সংগৃহীত